মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কার্যাবলী ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ

 

নভেম্বর-২০১৬ মাসে অনুষ্ঠিত উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভার কার্য বিবরণী

 

তারিখ                :  ৩০ অক্টোবর ২০১৬।

সময়                  : দুপুর ১২.০০ টা।

স্থান                   :  উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষ, কাজিপুর।

সভাপতি              :  মোঃ শফিকুল ইসলাম

                            উপজেলা নির্বাহী অফিসার

                           কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ।

সভাপতি উপস্থিত সদস্যবৃন্দকে স্বাগত জানিয়ে সভার কাজ শুরম্ন করেন। সভায় গত সভার কার্য বিবরণী পাঠ করে শোনানো হয় এবং সর্ব সম্মতিক্রমে উহা দৃঢ়করণ করা হয়। সভাপতি জানান নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর বাজার দর নিয়ন্ত্রণ, এসিড সন্ত্রাস নির্মুল, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বাল্য বিবাহ রোধ, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন, যৌন হয়রানীসহ সামাজিক যে কোন ধরণের অপরাধ বন্ধের ব্যাপারে স্থানীয় ভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। সভাপতি কাজিপুর উপজেলার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনের জন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। অতঃপর তিনি উপজেলা আইন শৃংখলা পরিস্থিতি সম্পর্কে ইউ, পি চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত সদস্যদের বক্তব্য আহবান করেন। তিনি জানান স্ব-স্ব ইউনিয়নে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রতিটি ইউনিয়নে আইন শৃংখলা কমিটি রয়েছে। প্রতি মাসে নিয়মিত সভা করা হলে ইউনিয়নের আইন শৃংখলা অনেকাংশে ভাল থাকবে। এ বিষয়ে তিনি ইউ, পি চেয়ারম্যানদের নিয়মিত সভা অনুষ্ঠানের আহবান জানান। অতঃপর বিষয় ভিত্তিক আলোচনা করা হয় যা নিম্নরুপ:

ক্র. নং

আলোচ্য বিষয়

আলোচনা

সিদ্ধান্ত

বাস্তবায়ন

০১

হত্যা/আত্ম হত্যা

হত্যা/আত্মহত্যার বিষয়ে বর্তমান মাসে অত্র উপজেলার কোন ইউনিয়নে এধরণের কোন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। চেয়ারম্যানগণ জানান কোন ইউনিয়নে হত্যা বা আত্মহত্যার মত কোন ঘটনা ঘটেনি। সভাপতি মহোদয় হত্যা-আত্মহত্যার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনসহ কোন এলাকায় যেন এ ধরণের ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে ইউ,পি চেয়ারম্যান ও সকল ইউপি সদস্যকে তৎপর থাকার অনুরোধ জানান।

হত্যা -আত্মহত্যার বিষয়ে কেহ যেন কাহাকেও প্ররোচিত না করে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কাজিপুর থানা/সকল ইউপি চেয়ারম্যান

০২

চুরি/ডাকাতি

চেয়ারম্যান, তেকানী ইউপিজানান বর্তমানে তার ইউনিয়নে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল আছে। এলাকায় ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে বিচ্ছিন্ন দু-একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে তবে তা বন্ধ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান তার ইউনিয়নে গরম্ন চুরিসহ অনেক বাড়ীতে চুরি হচ্ছে। চোর সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। 

চেয়ারম্যান, সোনামুখী ইউপিজানান বর্তমানে তার ইউনিয়নে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অন্যান্য সময়ের চেয়ে অনেক ভাল রয়েছে। বর্তমানে সোনামুখীতে মদ-গাঁজা নেই বললেই চলে। তবে এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে।এ মাসে ০২টি বাড়ীতে চুরি হয়েছে। তিনি চুরি ডাকাতি রোধ কল্পে পুলিশ টহল জোরদারসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। চুরি ডাকাতি রোধ কল্পে প্রত্যেকের সচেতন থাকা প্রয়োজন। সভাপতি মহোদয় পুলিশ পাহারা জোরদার করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানা এবং সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশদের পাহারা জোরদার করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের অনুরোধ জানান।

কাজিপুর উপজেলার চিহ্নিত চোর/ ডাকাতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সিদ্ধামত্ম গৃহীত হলো।

অফিসার ইনচার্জ/ ইউপি চেয়ারম্যান সকল।

০৩

মাদক/জুয়া

অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানাজানান মাদক-জুয়ার বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যানদের তেমন কোন সারা পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি জানান বর্তমানে চরাঞ্চলের মধ্যে নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নে মাদকের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। উঠতি বয়সের ছেলেরা বিভিন্ন ধরণের নেশায় আক্রামত্ম হচ্ছে। নাটুয়ারপাড়াসহ চরাঞ্চলের আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণের জন্য চরাঞ্চলের সকল ইউপি চেয়ারম্যানকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য অনুরোধ জানান। তিনি জানান কারা মাদকের ব্যবসা করে বা সেবন করে সে বিষয়গুলো মাঠ পর্যায় থেকে জানালে তাৎক্ষণিকব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চেয়ারম্যান, কাজিপুর ইউপিজানান মাদক নিয়ন্ত্রণে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। কোন ভাবেই মাদককে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। মাদক এবং জুয়ার বিষয়ে কোন আপোষ নেই। এব্যপারে কোন ধরণের সুপারিশ না করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।

চেয়ারম্যান, গান্ধাইল ইউপিজানান তার ইউনিয়নে আইন শৃংখলা স্বাভাবিক রয়েছে। এ মাসে অত্র ইউনিয়নে মারামারি বা চুরি/ডাকাতির কোন ঘটনা ঘটে নাই। তবে রাত্রি বেলায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ব্রীজের উপর, স্কুল কলেজের আঙিনায় বা ফাকা মাঠের মধ্যে উঠতি বয়সের ছেলেদের মাদকসেবন করতে এবং কোন কোন সময় জুয়া খেলতে দেখা যায়। তিনি এদের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

চেয়ারম্যান, মাইজবাড়ী ইউপিজানান বর্তমানে মাদকের প্রভাব একটু কম দেখা গেলেও তা থেমে নেই। এলাকার উঠতি বয়সের ছেলেরা নানাভাবে মাদকাসক্ত হয়ে পরছে। এমনকি বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্ররাও মাদকে আক্রামত্ম হচ্ছে। মাদকের ছোবল প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যমত্ম পৌঁছে গেছে। তিনি মাদক রোধে তৎপর হওয়ার জন্য অফসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানাকে অনুরোধ জানান।

কমান্ডার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কাজিপুর উপজেলা কমান্ড জানান  কোন ইউনিয়নে মাদক সেবন চলে না, জুয়া খেলা নেই যা বিশ্বাস করা কঠিন। কম-বেশি প্রত্যেক ইউনিয়নে মাদক এবং জুয়া চলে। তিনি প্রতিটি ইউপি চেয়ারম্যানকে ভালভাবে খোজ নিয়ে তৎপর থাকার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি জানান বর্তমানে মাদক এবং জুয়ার প্রভাব অনেক কমে গেছে। এধারা অব্যহত রাখতে হবে। মাদক এবং জুয়া কোন ক্রমেই যেন মাথা চারাদিয়ে উঠতে না পারে সে দিকে লÿ্য রাখার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।

সভাপতি মহোদয়জানান কাজিপুর উপজেলার কোন ইউনিয়নে বা কোন এলাকাতে যদি কোন মাদক ব্যবসায়ী বা মাদকসেবীর সন্ধান পাওয়া যায় সাথে সাথে তা উপজেলা প্রশাসন/অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানা/ নাটুয়ারপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে জানাবেন। এছাড়া তিনি পথে-ঘাটে, বাজারে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অথবা কোন প্রাঙ্গণে কাহাকেও জুয়া খেলতে দেখলে তাহাও প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য তিনি ইউপি চেয়ারম্যানসহ সভায় উপস্থিত সদস্যদের অনুরোধ জানান। কোনভাবেই মাদক/জুয়াকে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না।

মাদক/জুয়া নিয়ন্ত্রনের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কাজিপুর থানা পুলিশী টহল জোরদার করবেন এবং জনসচেতনা বৃদ্ধির জন্য ইউপি চেয়ারম্যানগণ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/ ইউপি চেয়ারম্যান সকল।

০৪

যাত্রা/ নাটক

বর্তমানে কাজিপুর উপজেলার কোথাও কোন যাত্রা পালা অনুষ্ঠানের খবর পাওয়া যায়নি। কোথাও উর্ধবতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া  যাত্রা পালা অনুষ্ঠিত হলে তার বিরম্নদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানাকে অনুরোধ করা হয়।

অনুমোদনহীন যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হলে তার বিরম্নদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কাজিপুর থানা।

০৫

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধ

নারী ও শিশু নির্যাতন বিষয়ে আলোচনায় চেয়ারম্যানগণকে জিজ্ঞাসায় জানা যায় অত্র উপজেলার কোন ইউনিয়নে নারী ও শিশু নির্যাতনের কোন ঘটনা সংঘটিত হয়নি। সভাপতি মহোদয় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের অনুরোধ জানান।

সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ইউপি চেয়ারম্যানগণ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ইউপি চেয়ারম্যান সকল।

০৬

বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ

চেয়ারম্যান, খাসরাজবাড়ী ইউপিজানান তার ইউনিয়নে আইন শৃংখলা ভাল আছে। বর্তমানে অত্র ইউনিয়নে চুরি ডাকাতির কোন ঘটনা ঘটে নাই এবং মাদক, জুয়ার তেমন কোন প্রভাব নেই। তবে অতি গোপনে দু’একটি বাল্য বিবাহের ঘটনা ঘটছে। বিবাহ রেজিস্টারদের যোগসাজসে বাল্য বিবাহ হয়ে থাকে। এ বিষয়ে তিনি বিবাহ রেজিষ্টারদের বিবাহ রেজিষ্ট্রি বন্ধের নির্দেশনা দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

চেয়ারম্যান, শুভগাছা ইউপিজানান বর্তমানে তার ইউনিয়নে আইন শৃংখলা ভাল আছে। তবে বিবাহ রেজিস্টারদের সহযোগিতায় অতি গোপনে দু’ একটি বাল্য বিবাহ হচ্ছে। বিয়ের পর মেয়ের বাবা/গার্জিয়ান জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে আসে। বিবাহত্তোর সার্টিফিকেট না দিলে তারা নানা ধরণের কথাবার্তা বলে। এতে দারম্নন অসুবিধার সৃষ্টি হয়। সভাপতি মহোদয় জানান যদি সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেহ এধরণের অপরাধে লিপ্ত হয় তবে বিয়ের পরেও তার বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা করা যাবে। এ বিষয়ে তিনি সকল ইউপি চেয়ারম্যানকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান।

চেয়ারম্যান, কাজিপুর ইউপিজানান গ্রামাঞ্চলে অতি গোপনে দু’একটি বাল্য বিবাহ হচ্ছে। এতে বিবাহ রেজিস্টারগণ জড়িয়ে পরছে। তাদের ছত্র ছায়ায় বাল্য বিবাহ হচ্ছে। তিনি বিবাহ রেজিস্টারদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠানের অনুরোধ জানান। তিনি আরও জানান সামাজিক ভাবে জনসচেতনতা বুদ্ধি পেয়েছে। যার জন্য বাল্য বিবাহ অনেকাংশে কমে গেছে। জনসচেতনা বৃদ্ধি এবং সরকারী আইনের বিষয়ে জনসাধারণকে অবহিত করার জন্য উপজেলার বিভিন্ন স্থানে/ইউনিয়ন পরিষদে অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করার জন্য অনুরোধ জানান।

চেয়ারম্যান, চরগিরিশ ইউপিজানান বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ কল্পে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রচারণামূলক সভা অনুষ্ঠান পূর্বক বাল্য বিবাহের শাস্তিমূলক আইন সম্পর্কে আলোচনা করা হলে জনসাধারণ এর কুফল সম্পর্কে অবহিত হবে। এতে করে সাধারণ মানুষ বাল্য বিবাহ হতে সরে আসবে। এ বিষয়ে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। তিনি বলেন জন্ম নিবন্ধন এখন অনলাইনে করা হচ্ছে। এক্ষেত্রেকোন ব্যক্তির সার্টিফিকেট প্রদানের সময় জন্ম তারিখ/বয়স কমবেশি করার কোন ধরনের সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে সভাপতি মহোদয় প্রত্যেক ইউপি চেয়ারম্যানকে অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট প্রদানের অনুরোধ জানান।

চেয়ারম্যান, মাইজবাড়ী ইউপিজানান বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক ব্যধি। এর প্রভাব হতে নিসত্মার পেতে হলে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি থানা পর্যায়ে সভা অনুষ্ঠানের পর প্রতিটি ইউনিয়নে জনসচেতনতা বিষয়ক একটি করে সভা অনুষ্ঠানের অনুরোধ জানান।

জনাব গোলাম মোস্তফা তালুকদারসদস্য, উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটি জানান বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে বিবাহ রেজিস্টার, মসজিদের ইমাম, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সমন্বয়ে উপজেলা পর্যায়ে একটি জনসচেতনতামূলক সভা করা যেতে পারে। এ বিষয়ে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়কে অনুরোধ জানান।

চেয়ারম্যান, গান্ধাই ইউপিজানান বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা বাসত্মবায়নে সকল ইউপি চেয়ারম্যান আমত্মরিক ও একমত। তিনি জানান বাল্য বিবাহ সমাজের একটি ক্ষতিকর বিষয়। বাল্য বিবাহের ফলে সমাজে নানাবিধ অসুবিধার সৃষ্টি হয়। এতে সমাজ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যানগণ যথেষ্ট আন্তরিক। তিনি বাল্য বিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে সভা অনুষ্ঠানের অনুরোধ জানান।

জনাব জুঁই পারভীন, সদস্য (সংরক্ষিত), উপজেলা পরিষদ,কাজিপুর জানান জন্ম নিবন্ধন ছাড়া বিবাহ হলে কে বিবাহ পড়িয়েছে তার বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। এধরণের বিবাহ হওয়ার পরেও যদি জড়িতদের বিরম্নদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তাহলে সমাজের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি হবে এবং বাল্য বিবাহ অনেক কমে যাবে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি সভায় অনুরোধ জানান।

সভাপতি মহোদয়বাল্য বিবাহ প্রতিরোধের বিষয়ে সকলকে এগিয়ে আসার জন্য আহবান জানান। বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক ব্যধি। বাল্য বিবাহের ফলে সমাজে নানা রকমের অশামিত্মনেমে আসে, বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। সামাজিক বিশৃংখলা দেখা দেয়। কোন অবস্থাতেই যেন বাল্য বিবাহ অনুষ্ঠিত না হয় সে দিকে লক্ষরাখার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের অনুরোধ জানান। এ ধরণের কোন আয়োজন দেখলে সাথে সাথে তা উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়।

 

 

বাল্য বিবাহের কোন খবর থাকলে সাথে সাথে তা প্রশাসনকে অবহিত করবেন মর্মে সিদ্ধান্তগৃহিত হলো।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বাল্য বিবাহের কোন খবর থাকলে সাথে সাথে তা প্রশাসনকে অবহিত করবেন মর্মে সিদ্ধান্তগৃহিত হলো।

এছাড়া জনসচেতনতা সৃষ্টিার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হলো।

 

 

ইউপি চেয়ারম্যান সকল

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ইউপি চেয়ারম্যান সকল

 

 

 

 

 

 

 

 

০৭

যৌন হয়রানী

সভাপতি মহোদয় বলেন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা গ্রাম পর্যায়ে কোন বখাটে কর্তৃক কোন নারী যৌন হয়রানীর শিকার হলে সাথে সাথে তার বিরম্নদ্ধে সুনির্দ্দিষ্ট অভিযোগসহ উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্যকে অনুরোধ জানান। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা রাস্তা-ঘাটে কোন বখাটেকে বেপোরোয়া ভাবে ঘোরাফেরা করতে বা কোন নারীর প্রতি অশোভন আচরণ করতে দেখলে সাথে সাথে তা উপজেলা প্রশাসন বা কাজিপুর থানাকে অবহিত করার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এধরণের কোন ঘটনা সংঘটনকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

অফিসার ইন চার্জ, কাজিপুর থানা/ইউপি চেয়ারম্যান সকল।

০৮

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন

সভাপতি মহোদয় জানান উপজেলার আইন শৃংখলা পর্যালোচনায় দেখা যায় বর্তমানে কাজিপুর উপজেলায় উগ্র মৌলবাদ, নকশাল, সর্বহারা বা নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি’র মত কোন জঙ্গী সংগঠন নেই। যদি কোথাও এ ধরনের কোন সংগঠনের সন্ধান পাওয়া যায় সাথে সাথে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানসহ সকলকে অনুরোধ জানান। প্রত্যেক ইউনিয়নে সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি গঠিত হয়েছে। এ সংক্রামত্ম গঠিত কমিটিকে নিয়মিত সভা করাসহ উক্ত সভার রেজুলেশন এই কার্যালয়ে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়। তাছাড়া প্রত্যেক মসজিদে জুম্মার খুতবায় জঙ্গী কার্যক্রম ও নাশকতার বিষয়ে মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুশাসন মতে বক্তব্য দেয়ার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করা হয়। তিনি জানান অন্যান্য এলাকার চেয়ে কাজিপুর উপজেলার আইন শৃংখলা অনেকাংশে ভাল রয়েছে কিন্তু মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানা যাচ্ছে কাজিপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহিলাসহ জেএমবি সদস্যদের আইন শৃংখলা রক্ষাকারীবাহিনী গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে মনে হচ্ছে কাজিপুর উপজেলা একেবারে্ নিরাপদ নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে ভালভাবে খোজ রাখতে হবে। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নের সিমামত্ম এলাকায় নজরদারী বাড়াতে হবে যাতে অত্র উপজেলায় জেএমবি বা নিষিদ্ধ ঘোষিত কোন জঙ্গী সংগঠন মাথা চারা দিতে না পারে। এ বিষয়ে তিনি আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তৎপর থাকার জন্য অনুরোধ জানান।

উগ্রবাদী কোন সংগঠনের সন্ধান পাওয়া গেলে ইউপি চেয়ারম্যানগণ উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করবেন।

অফিসার ইন চার্জ, কাজিপুর থানা/ইউপি চেয়ারম্যান সকল।

০৯

বিবিধ

(ক) চেয়ারম্যান, নিশ্চিন্তপুর ইউপিজানান তার ইউনিয়নে আইন শৃংখলা ভাল রয়েছে। তবে ইউনিয়নের সিমানা নিয়ে পার্শ্ববর্তী থানার সাথে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সিমানা নির্ধারণের নিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

(খ) চেয়ারম্যান, মনসুরনগর ইউপিজানান আমত্মঃজেলা সিমানা নিয়ে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলা এবং কাজিপুর উপজেলার লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরিষাবাড়ী থানার লোকজন এসে কাজিপুর উপজেলার সিমানা হতে বেশ কিছু গাছ কেটে নিয়ে গেছে। এ নিয়ে এলাকায় চরম গোলযোগের সৃষ্টি হয়। উভয় এলাকার চেয়ারম্যান ও মুরম্নববীগণ দায়িত্ব নিয়ে সাময়িকভাবে উত্তেজনা বন্ধ রাখা হয়েছে। এর একটি স্থায়ী সমাধান দরকার।

তিনি আরও জানান মনসুরনগর ইউনিয়নে একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্তকেন্দ্রের ভবন না হওয়া পর্যমত্ম অস্থায়ীভাবে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে কার্যক্রম চালানোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান। পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হলে চরাঞ্চলের আইন শৃংখলা রক্ষায়যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে সভাপতি মহোদয় জানান সিমানা নিয়ে বিরোধ হলে তা পরিমাপ করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি লিখিতভাবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানান। এছাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ব্যাপারে উর্ধতন কর্তৃপক্ষেরসাথে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(গ) চেয়ারম্যান, নাটুয়ারপাড়া ইউপি জানান তার ইউনিয়নে একটি পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে। চরাঞ্চলের আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ ফাঁড়িটি বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ফাঁড়িতে সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার একজনদক্ষ পুলিশ অফিসার সার্বক্ষণিক পদায়ন প্রয়োজন। পারমানেন্ট অফিসার না

থাকায় পুলিশদের মধ্যে কাজের গতি সঞ্চার হচ্ছে না। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানাকে অনুরোধ জানান। জন্য অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানাকে অনুরোধ করা হয়।

(ঘ) উপাধ্যক্ষ,কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজ জানান বর্তমানে কাজিপুর উপজেলার আইন শৃংখলা ভাল রয়েছে। তবে অনেক জায়গায় উঠতি বয়সের ছেলেরা নানা ধরণের মাদক সেবনসহ  বিভিন্ন ধরণের অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। এছাড়া স্কুল কলেজের ছেলেরা পড়া-লেখা বাদ দিয়ে রাত্রি বেলায় এদিক-সেদিক ঘোরাফেরা করছে। বর্তমান জেলা প্রশাসক মহোদয় বলেছেন রাত্রি ৮.০০ ঘটিকার পরে যদি কোন ছাত্রকে অকারণে বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় তার বিরম্নদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে তিনি কাজিপুর উপজেলায় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানান।

(ঙ) ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, কাজিপুর জানান অন্যান্য এলাকার চেয়ে কাজিপুর উপজেলার আইন শৃংখলা অনেক ভাল রয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বর্তমান প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধে যথাযথ পদক্ষেপগ্রহণেরও অনুরোধ জানান। মাদক, জুয়া ও বাল্য বিবাহ বন্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এসকল বিষয়ে কোন ছাড় দেয়া যাবে না। মাদক জুয়ার বিষয়ে কোন ধরণের সুপারিশ না করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান। তিনি বাল্য বিবাহ বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য মাধ্যমিক সত্মরের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে অমত্মতঃ একদিন প্রতিটি ক্লাসে ১০/১৫ মিনিট আলোচনা করার অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষাঅফিসার, কাজিপুরকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

তিনি আরও জানান অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানা ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CDMS) হতে জাতীয়ভাবে সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছেন। এতে কাজিপুর উপজেলার ভাবমুর্তি উজ্জল হয়েছে এবং কাজিপুর বাসীকে গর্বিত করেছে। তার এ সম্মাননার জন্য তিনি কাজিপুরবাসী তথা উপজেলা পরিষদের পক্ষ হতে তাকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

সিমানা নির্ধারণের স্থায়ী সমাধানের জন্য এসি ল্যান্ড বরাবর আবেদনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হলো।

 

 

 

 

পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ,কাজিপুর থানা প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করবেন।

 

 

 

নাটুয়ারপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের জন্য একজন অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহিত হলো।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বাল্য বিবাহ প্রতিরোধের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য শিক্ষদের মাধ্যমে শ্রেণী কক্ষে আলোচনা করার সিদ্ধান্তগৃহিত হলো

চেয়ারম্যান, মনসুরনগর/ নিশ্চিন্তপুর

ইউপি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অফিসার ইনচার্জ,কাজিপুর থানা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

 

 

 

 

 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ব্যবস্থা নিবেন।

 

 

(চ) চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, কাজিপুর জানান বাল্য বিবাহ রোধে সামাজিক সচেতনতাবোধ জাগ্রত করতে হবে। পূর্বে অনেক বাল্য বিবাহ হয়েছে কিন্তু কোন প্রচারণা না থাকায় মানুষ তা জানতে পারেনি। এখন সমাজের সচেতন মানুষের কারণে বাল্য বিবাহের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুও বুঝতে শিখেছে। বাল্য বিাহ রোধে সামাজিক সচেতনতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের মধ্যে এর কুফল সম্পর্কে পুরোপুরি বোধ জাগ্রত হলে বাল্য বিবাহ এমনিতেই কমে যাবে। এ বিষয়ে সকলকে সামাজিক সচেতনতা জাগ্রত করতে প্রচারণা চালাতে হবে। বাল্য বিবাহ কোন ভাবেই বাড়তে দেয়া যাবে না।

মাদকের বিস্তার রোধ করতে হবে। কোন ভাবেই এটাকে বৃদ্ধি পেতে দেয়া যাবে না। মাদকের ছোবলে পুরো জাতি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সকলকে মাদক জুয়া প্রতিরোধে একযোগে কাজ করতে হবে। পুলিশের জোড়ালো ভূমিকার কারণে কাজিপুর উপজেলায় চুরি/ডাকাতি অনেক কমে গেছে। মাঝে মধ্যে সিমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ডাকাতির চেষ্টা চলে। সিমামত্মবর্তী এলাকাতে পুলিশ টহল বাড়ানোর জন্য অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানাকে অনুরোধ জানান।

তিনি আরও জানান কাজিপুর উপজেলায় জেএমবি’র আনাগোনা লক্ষকরা যাচ্ছে তাদের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। কোন অবস্থাতেই যেন কাজিপুর উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন মাথাচারা দিয়ে উঠতে না পারে সে দিকে খেয়াল রাখাতে হবে। জঙ্গী সংগঠনের কোন সন্ধান পাওয়া গেলে সাথে সাথে তা উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য সকল সদস্যকে অনুরোধ করা হয়।

বাল্য বিবাহ, মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হলো।

ইউপি চেয়ারম্যান (সকল)

        অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানা জানান প্রতিটি ইউনিয়নের আইন শৃংখলা রক্ষায় গ্রাম পুলিশদের কাজে লাগাতে হবে। তাদেরকে প্রতিটি ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে  সরকারি কাজে সহযোগিতা করতে হবে। কোথাও কোন সমস্যা থাকলে তা থানা প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে। এ বিষয়ে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনে গ্রাম পুলিশকে কাজে লাগানোর জন্য ইউপি চেয়ারম্যানগণকে অনুরোধ জানান।

       সভাপতি মহোদয় কাজিপুরউপজেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি ভোক্তা অধিকার আইন, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার, খাদ্যে ফরমালিন মেশানো, দুধে ভেজাল, শিশু শ্রম বন্ধ এবং মহাসড়কে থ্রিহুইলার চলাচলসহ বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে করণীয় এবং শাসিত্ম সম্পর্কে সম্যক ধারনা দেন। তিনি জানান সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ক ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতি মাসে কমিটির সভা অনুষ্ঠান পূর্বক কার্য বিবরণী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে প্রেরণ এবং বিদেশী নাগরিক ও বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিত/সেবায়েতগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের অনুরোধ জানান।

       সভায় আর কোন আলোচনা না থাকায় সভাপতি উপস্থিত সদস্যবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

 

                         ( মোঃ শফিকুল ইসলাম )

                         উপজেলা নির্বাহী অফিসার

                                       ও

                                  সভাপতি

                         উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটি

                               কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ।

 

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়

কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ।

kazipur.sirajganj.gov.bd 

 

স্মারক নং- ০৫.৪৩.৮৮৫০.০০১.২৪.০০১.১৬- ১০০৭(৪০)

তারিখ :

১৫ কার্তিক ১৪২৩

৩০ অক্টোবর ২০১৬

অনুলিপি সদয় জ্ঞাতার্থে/প্রযোজনীয় কার্যার্থে প্রেরণ করা হলোঃ

১। মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য, ৬২ সিরাজগঞ্জ-১

২। সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

৩। জেলা প্রশাসক, সিরাজগঞ্জ।

৪। পুলিশ সুপার, সিরাজগঞ্জ।

৫। চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ।

৬। ভাইস চেয়ারম্যান/মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ।

৭। অফিসার ইনচার্জ, কাজিপুর থানা।

৮। উপজেলা ............................................ অফিসার, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ।

৯। চেয়ারম্যান .........................................ইউপি (সকল)

১০। ..........................................................................

 

                         ( মোঃ শফিকুল ইসলাম )

                         উপজেলা নির্বাহী অফিসার

                                       ও

                                  সভাপতি

                         উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটি

                               কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ।

সংযুক্তি